প্রধানমন্ত্রীকে এসএমএস করে কপাল খুলল সামাদের

অটোরিকশা হারিয়ে বিপাকে পড়া আবদুস সামাদকে হতাশার সাগর থেকে টেনে তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসএমএস পেয়ে তিন দিনের মধ্যেই শ্রমজীবী মানুষটির জন্য পাঠিয়েছেন একটি

অটোরিকশা। আর এই সহায়তা পাওয়ার পুরো কাহিনিটিই চমকপ্রদ। বিষয়টি এতটাই অবিশ্বাস্য ঠেকছে খোদ সামাদের কাছে যে, তিনি ভাবছেন পুরোটাই স্বপ্ন। না, সরকার প্রধানের কাছে সশরীরে আসেননি

সামাদ, অন্য কারও মাধ্যমে দূতিয়ালিও করেননি। প্রধানমন্ত্রী কয়েক বছর আগে তার যে মোবাইল ফোন নম্বর গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, সেই নম্বর জোগাড় করে ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়েছিলেন। আর তাতেই

মেলে সাড়া। ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার আব্দুস সামাদ তার জীবিকার একমাত্র অবলম্বন অটোরিকশাটি হারিয়ে ফেলেন গত ২৮ মে। গ্যারেজ থেকে রিকশা চুরি হয়ে যাওয়ার পর পরিবারের জন্য

অর্থের সংস্থান করতে পারছিলেন না তিনি। আর এই বিষয়টি হারিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাহায্য চান সামাদ। ভেবেছিলেন কোনোভাবে প্রধানমন্ত্রীর কাছে তার নিবেদন পৌঁছলে তার বিপদ কাটবে।

বঙ্গবন্ধু কন্যা এর আগেও সামাদের মতো মানুষের ডাকে সাড়া দিয়েছেন, এবারও নিরাশ করেননি। তবে সেই আবেদনে এত দ্রুত সহায়তা মিলবে, সেটি ধারণা ছিল না তার। গত ১৮ জুন পাঠানো এসএমএসে

সামাদ লিখেন, ‘মা, তুমি সারা দেশের মা। আমাকে একটু সাহায্য করুন।’ আর দুই দিন পর ২০ জুন বুধবার সামাদের বাড়িতে পুলিশ হাজির। তারা জানতে চান, কোনও এসএমএস পাঠিয়েছেন নাকি। সামাদ

বলেন, ‘ফয়লা (প্রথমে) ডরাইছি। পরে কথাবার্তা শুইন্যা বুঝছি, আমাকে সাহাইয্য করত আইছে পুলিশ।’ এরপর আজ বৃহষ্পতিবার ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার তার অফিসে ডেকে একটি অটো রিক্সা তুলে

দেন। সামাদ বলেন, ‘আমি স্বপ্নেও ভাবতারছি না অত প্রধানমন্ত্রী আমারে অত তাড়াতাড়ি সাহাইয্য করব। অহনও মনে অইতাছে স্বপ্ন দেখতাছি।’ ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম বলেন,

‘এসএমএসটি নজরে আসার পরপরই সাহায্যের নির্দেশনা পাঠান প্রধানমন্ত্রী। আর আমরা আবদুস সামাদকে খুঁজে বের করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছি।’ সামাদ জানান, তিনি ধার দেনা করে এক লাখ ৬০

হাজার টাকা দিয়ে অটোরিকশাটি কিনেছিলেন। এটি চালিয়ে স্ত্রী, স্কুলপড়ুয়া দুই ছেলে ও এক মেয়ে নিয়ে চলে তার সংসার। কিন্তু জীবিকার অবলম্বনটি হারিয়ে যাওয়ার পর তার নিজের জন্য পর্যাপ্ত অর্থের

যোগান যেমন কষ্টকর হয়ে গিয়েছিল, তেমনি মাথায় চেপেছিল ঋণ পরিশোধের বোঝা। সামাদ জানান, তিনি কোনো উপায় না দেখে নিজের মোবাইলে গুগলে কোনো মন্ত্রী বা এমপির নাম লিখে নম্বর সার্চ

করেন। কিন্তু পেয়ে যান প্রধানমন্ত্রীর নম্বর। ভাবেন শেখ হাসিনা অনেককেই সহায়তা করেন, এসএমএসটি পেলে হয়ত তাকেও ফেরাবেন না। প্রধানমন্ত্রী বরাবর বলেন, তার গণভবনের দুয়ার দেশের সব মানুষের

জন্যই খোলা। দেশবাসীকে নির্ভয়ে সেখানে যেতেও নানা সময় পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। আবার প্রধানমন্ত্রীর কাছে চিঠি লিখে নানা সময় নানা দাবি পূরণ হয়েছে। ২০১৬ সালের আগস্টে পটুয়াখালীর শিশু শীর্ষেন্দু

বিশ্বাস পায়রা নদীতে সেতু করার আবেদন জানিয়ে চিঠি লিখে শেখ হাসিনার কাছে। আর এরপর তিনি এ বিষয়ে উদ্যোগ নেয়ার নির্দেশ দেন। গত এপ্রিলে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের বাসিন্দা দ্বিতীয় শ্রেণি

পড়ুয়া শিশু সৈয়দা রওনক জাহান সেঁজুতি প্রধানমন্ত্রীকে ভালোবেসে চিঠি লিখেছিল। প্রধানমন্ত্রী সেই চিঠি পড়ে মুগ্ধ হয়ে জবাবও দিয়েছিলেন। ঢাকাটাইমস

আজিজুল বারী হেলালের মুক্তিতে বাধা নেই

তিন মামলায় ছয় মাসের জামিন পেয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল। ছাত্রদলের সাবেক এই সভাপতিকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি মুহাম্মদ

আবদুল হাফিজ ও বিচারপতি মো. সোহরাওয়ার্দীর সমন্বয়ে গঠিত অবকাশকালীন হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ বৃহস্পতিবার এই জামিন দেন। আদালতে হেলালের জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মাসুদ

রানা। আদালত থেকে বের হবার পর তিনি জানান, এই জামিন আদেশের পর হেলালের মুক্তিতে আইনগত আর কোনো বাধা নেই। উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে রাজধানীর রমনা, মতিঝিল ও পল্টন থানায় করা তিন

মামলায় আজ হাইকোর্টে জামিন পেয়েছেন হেলাল। এ তিন মামলাসহ তার বিরুদ্ধে মোট ৪৩টি মামলা ছিল। এখন এ তিন মামলায় জামিনের পর তার কারামুক্তিতে আর আইনগত কোনো বাধা নেই বলে

জানিয়েছেন আইনজীবী। গত ৩১ জানুয়ারি ছাত্রদলের সাবেক এ সভাপতিকে মগবাজারের বাসা থেকে বের হওয়ার সময় গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) আটক করে। ৩০ জানুয়ারি বিকেলে হাইকোর্ট এলাকায় পুলিশের

সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের পর রাতে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও কেন্দ্রীয় নেতা অনিন্দ্য ইসলাম অমিতকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ওই ঘটনায় করা মামলায় হেলালকে ২ ফেব্রুয়ারি ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

শিবির নেতাকে বিয়ে অনুষ্ঠান থেকে আটকের পর পুলিশের অস্ত্র নাটক!

বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে আটকের পর অস্ত্র উদ্ধারের নাটক সাজিয়ে শিবির নেতার বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলা দিয়েছে পুলিশ। এমন অভিযোগ উঠেছে রাজশাহী মহানগর পুলিশের বিরুদ্ধে। গতকাল বুধবার রাজশাহী

শহরের শাহমাখদুম থানার পোষ্টাল একাডেমি অডিটোরিয়মে এক বিয়ের প্রোগ্রাম থেকে ইসলামি ছাত্রশিবির রাজশাহী মহানগরীর সাবেক সভাপতি মঞ্জুর রহমান মনিরকে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ। এসময়

বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে ৫জন ব্যাংক কর্মকর্তা ও স্থানীয় জামায়াত নেতা আইয়ুব আলীকেও আটক করা হয়। পরবর্তীতে ৫ ব্যাংক কর্মকর্তাকে ছেড়ে দেয় ডিবি পুলিশ। আটক জামায়াত নেতা আইয়ুব আলী

জামায়াতের ১৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদপ্রার্থী বলেও জানা গেছে। ডিবি পুলিশের ওসি রাশেদের নেতৃত্বে এস আই হাসানসহ আরো কয়েকজন অংশ নেয় গ্রেফতার অভিযানে। আটকের পরেরদিন বৃহস্পতিবার

রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) মুখপাত্র সিনিয়র সহকারী কমিশনার ইফতেখায়ের আলম জানিয়েছেন, মঞ্জুরের দেয়া তথ্যে তিন রাউন্ড গুলি ও ম্যাগজিনসহ একটি বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করা

হয়েছে। এ নিয়ে তার বিরুদ্ধে বোয়ালিয়া থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারেও পাঠানো হয়েছে। আদালত তার ৩ দিনের রিমাণ্ড মঞ্জুর করেছে। এদিকে পুলিশের

অস্ত্র উদ্ধারের বক্তব্যকে নাটক বলে দাবি করেছেন মঞ্জুরের পরিবার ও স্থানীয়রা। তারা বলছেন, আসন্ন সিটি নির্বাচনকে টার্গেট করেই কাউন্সিলরপ্রার্থীসহ সাবেক শিবির নেতা মঞ্জুরকে বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে

সম্পুর্ণ অন্যায়ভাবে ডিবি পুলিশ গ্রেফতার করেছে। এখন আবার অস্ত্র উদ্ধারের নাটক সাজিয়ে মঞ্জুরের বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলা দেয়া হয়েছে। বিরোধী নেতাকর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরির উদ্দেশ্যেই পুলিশ এই

নাটক সাজিয়েছে বলেও দাবি করেছেন তারা। স্থানীয়রা বলছেন, মঞ্জুরের কাছে কোনো প্রকারের পিস্তল থাকার প্রশ্নই আসে না। আমরা মঞ্জুরকে দীর্ঘদিন ধরে চিনি। আসন্ন নির্বাচনে বিরোধী নেতাকর্মীদের

মধ্যে ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি করতেই তাকে এবং কাউন্সিলরপ্রার্থীকে আটক করে অস্ত্র নাটক সাজিয়েছে পুলিশ। নিরপরাধ আসামীকে ফাঁসানোর জন্য পুলিশের এমন অস্ত্র উদ্ধার নাটক বহুদিন ধরেই দেশবাসী

প্রত্যক্ষ করে আসছে। স্থানীয় জামায়াত ও শিবির নেতারা বলছেন, টেকনাফের কাউন্সিলর একরামুল হককে বন্দুকযুদ্ধের নামে হত্যার ফাঁস হওয়া অডিওতে আমরা দেখেছি কিভাবে পুলিশ নিজেরাই আসামীর

কাছে অস্ত্র দিয়ে উদ্ধারের নাটক করে। দেশবাসী এখন আর বোকা নয়। তারা অবিলম্বে মিথ্যা অস্ত্র মামলা প্রত্যাহার এবং মঞ্জুর ও আইয়ুব আলীর মুক্তি দাবি করেছেন।

এক পাকিস্তানি তরুণীর গল্প শোনালেন মির্জা ফখরুল

এক পাকিস্তানি তরুণীর জীবন কাহিনি পড়ে আত্মবিশ্বাস ফিরে পাচ্ছেন ‘হতাশ’ হয়ে পড়া বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ওই পাকিস্তানি তরুণী কঠিন পরিবেশে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন

যেভাবে, ফখরুলের বিশ্বাস বাংলাদেশেও বিএনপি একইভাবে কঠিন পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠবে। দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন এবং ঢাকা সাংবদিক ইউনিয়নের একাংশের যৌথ

আয়োজনে এক আলোচনায় বক্তব্য রাখছিলেন ফখরুল। পাশের চেয়ারে বসা আমার দেশের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের দিকে তাকিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘মাহমুদ ভাইয়ের সঙ্গে বসে

অনেক কথা হচ্ছিল, তিনি মাঝে মাঝে ফ্রাসট্রেশনে (হতাশায়) ভোগেন, আমিও ভুগি। আমরা সবাই কিন্তু কমবেশি ভুগি।’ পাকিস্তানি তরুণীর কাহিনি তুলে ফখরুল জানান, তার বিশ্বাস জেগেছে, খারাপ

পরিস্থিতিই শেষ কথা নয়। বলেন, ‘‘কয়েকদিন আগে একটা সোশ্যাল মিডিয়াতে পাকিস্তানি এক মেয়ের তার জীবনের কথা শুনছিলাম। মেয়েটা পঙ্গু হয়ে গেছে একটা কার অ্যাক্সিডেন্টে (দুর্ঘটনায়)। তার বিয়ে

হয়েছিল মাত্র কয়েক মাস আগে। কার অ্যাক্সিডেন্টে তার স্বামী বেঁচে যায়, কিন্তু সে পঙ্গু হয়ে যায়। পঙ্গু হওয়ার পরে, সে কীভাবে সংগ্রাম করে, লড়াই করে টিকে আছে এবং সে আজকে পৃথিবীতে মোটামুটি

লড়াকু মহিলা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। সেটা দেখার পর থেকে আমার মনে হয়েছে, না হতাশাই শেষ কথা নয়। মানুষ অবশ্যই লড়াই করবে, শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত বাঁচতে হবে।’ ‘আমরা রাজনীতিক দল

হিসেবে, একটা মধ্যপন্থী দল হিসেবে উদার গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল হিসেবে সব সময় গণতন্ত্রের রাস্তাটা খুঁজি। একটা পরিসর খুঁজি, স্পেস খুঁজি। ডেমোক্রেসির একটা স্পেস থাকলে আমরা একটু

কমফোরটেবল ফিল করি; আমি একটা বক্তৃতা করব, আমি মাঠের মধ্যে একটা জনসভা করব, আমি রাস্তায় মিছিল করব, আমার বক্তব্যগুলো জনগণের কাছে তুলে ধরব। জনগণ একসময় আমাদের সঙ্গে

আসবে। এটাই আমরা অতীতে দেখেছি।’ ‘এখনকার পরিস্থিতি একটু ভিন্ন। একটা ভীতি, ত্রাসের ফোবিয়া ছড়িয়ে পড়েছে সারাদেশে। গত কয়েক বছরে তাদের নিপীড়ন, নির্যাতন, হত্যা, শিশুকে আটকে রেখে

ব্লাকমেইল-কী না হয়েছে?’ ‘গণতন্ত্রের জন্য সবচেয়ে বেশি কৃতিত্ব খালেদার’- বিএনপি মহাসচিবের দাবি, স্বাধীন বাংলাদেশের সত্যিকার অর্থে গণতন্ত্রের জন্য যদি কাউকে সবচেয়ে কৃতিত্ব দেয়া যায়, তিনি হলেন

বেগম খালেদা জিয়া। বলেন, ‘সংগ্রামের মধ্য দিয়ে তার রাজনীতিতে আসা। সংগ্রামের মধ্য দিয়ে এই বয়সেও তিনি কারাগারে।’ ‘এই সরকারকে কী বলব, বলার ভাষাই নেই আমাদের। নিলর্জ্জ! তাকে উপযুক্ত

চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে না। ভাবখানা এমন যদি এভাবেই শেষ হয়ে যায় তাহলে আপদ গেল। কারণ ক্ষমতায় আসার প্রধান বাধা হলো খালেদা জিয়া।’ খালেদা জিয়া এখনও জনপ্রিয় নেত্রী উল্লেখ করে ফখরুল

বলেন, ‘তিনি যে বাঁশি বাজাবেন সেই বাঁশিতে হাজার হাজার লক্ষ লক্ষ মানুষ রাজপথে নামবে। এটা আমরা বিশ্বাস করি এবং এটা ঘটবে, এজন্য তারা এভাবে তাকে আটকে রেখেছে।’ ‘এখন আমাদের দায়িত্ব

হলো সেই পরিস্থিতি সৃষ্টি করা, মানুষের মধ্যে সাহস জাগানো। আর তরুণদের কাছে আমি সব সময় যে কথাটা বলি, জেগে উঠতে হবে। পৃথিবীর যে কোনো দেশে, যে কোনো সমাজে তরুণরা ছাড়া সমাজকে জাগাতে পারবে না। তরুণদের সামনে এগিয়ে আসতে হবে।’

জেলের তালা ভেঙে খালেদাকে মুক্ত করবো: মিনু

আদালতের মাধ্যমে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেওয়া না হলে জেলের তালা ভেঙেই খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু। আগামী

২৪ জুন বিএনপি চেয়ারপার্সনের জামিন আবেদনের শুনানির দিন নির্ধারিত রয়েছে। ইউনাইটেড হাসপাতালে দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার চিকিৎসা ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে বৃহস্পতিবার (২১ জুন) বেলা

সাড়ে ১১টায় রাজশাহীতে বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন তিনি।মহানগরীর মালোপাড়া দলীয় কার্যালয়ের সামনে এ বিক্ষোভ সমাবেশ আয়োজিত হয়। সমাবেশে মিজানুর রহমান মিনু বলেন, সরকার খালেদা

জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে তালবাহানা করছে। এতে যদি খালেদা জিয়ার কিছু হয় ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটে, তা হলে সরকারকেই দায়ী থাকতে হবে।বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে খালেদা জিয়ার আশুমুক্তি

ও যথাযথ সুচিকিৎসার দাবি জানান মিনু।কর্মসূচিতে মহানগর বিএনপির সভাপতি ও সিটি মেয়র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল হক মিলন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। pbn

আরও পড়ুন- “দ্বীন-দ্য ডে” নিয়ে আসছেন অনন্ত জলিল ইরানের সঙ্গে যৌথ প্রযোজনায় নতুন সিনেমা তৈরি করতে যাচ্ছেন চিত্রনায়ক অনন্ত জলিল। ‘দ্বীন-দ্য ডে’ নামের এ সিনেমার

জন্য বর্তমানে ইরানে অবস্থান করছেন তিনি। এরই মধ্যে তেহরানের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ফারাবি সিনেমা ফাউন্ডেশনের ডিরেক্টর আলীরেজা তাবেশের সঙ্গে অনন্ত জলিলের প্রাথমিক আলাপ সম্পন্ন হয়েছে। অনন্ত

জানান, প্রাথমিক আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে। সিনেমাটি নিয়ে বেশকিছু পরিকল্পনা রয়েছে। সেজন্য আরও অনেক কাজ বাকি। ছবিটির চিত্রনাট্যের দায়িত্বে ছিলেন ছটকু আহমেদ। তিনি জানান, ইসলামকে

খারাপভাবে উপস্থাপন করে পশ্চিমা বিশ্ব ফায়দা লুটতে চায়- ছবিতে আন্তর্জাতিক এ গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুটিকে কেন্দ্রে রাখা হয়েছে। এতে ইসলামকে ইতিবাচকভাবে তুলে ধরা হবে। ইসলাম যে সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন

করে না সেটি দেখানো হবে। এজন্য এতে সিরিয়ায় আমেরিকা, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের হামলাসহ আইএস-এর নামে নীরিহ মানুষ হত্যার বিষয়গুলো তুলে ধরা হবে। ‘দ্বীন-দ্য ডে’-তে অনন্ত জলিলের সঙ্গে

অভিনয় করছেন তার স্ত্রী বর্ষা। এছাড়া ইরান ও মরক্কো থেকে ছবির একজন নায়িকা ও বেশ কয়েকজন অভিনয়শিল্পী নেওয়া হবে। ছবিটি শুটিং হবে মরক্কো ও সিরিয়ায়। এর কাজ শুরু হবে আসছে নভেম্বরে।

নেতাকর্মীদের গ্রেফতারে তদন্ত ও জরুরি ব্যবস্থা চান হাসান সরকার

গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী আলহাজ হাসান উদ্দিন সরকার বৃহস্পতিবার (২১ জুন) আঞ্চলিক নির্বাচন ও রিটার্নিং কর্মকর্তা রকিব উদ্দিন মন্ডলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।

সাক্ষাতে তিনি রিটার্নিং কর্মকর্তাকে অভিযোগ করেন, সরকার স্থানীয় প্রশাসন দিয়ে তার দলের নেতাকর্মীকে হয়রানি ও গ্রেফতার করছে। ৭-৮ জন নেতাকর্মীকে গতকালই (বুধবার) গ্রেফতার করা হয়েছে বলে

তিনি অভিযোগ করেন। এতে তার প্রচার-প্রচারণায় ব্যহত হচ্ছে বলে জানান। এই অভিযোগ আমলে নিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা জেলা প্রশাসন, স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন ও প্রধান নির্বাচন কমিশনের কাছে তদন্তের

জন্য জরুরিভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সুপারিশ করেন। সাংবাদিকদের রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন, ‘গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন সুষ্ঠু করতে যা যা করা প্রয়োজন নির্বাচন কমিশন তা সবই করবে।’

হাসান উদ্দীন সরকারের অভিযোগের বিষয়ে রকিব উদ্দিন বলেন, ‘আমরা নির্বাচনের কমিশনের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে লিখিত সুপারিশ পাঠিয়েছি।

তবে কাউকে যাতে হয়রানি না করা হয় সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষদের সঙ্গে কথা বলতে হবে।’ সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন সুষ্ঠু করতে নির্বাচন

কমিশন বদ্ধ পরিকর। আমরা সুন্দর ও সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিতে কাজ করছি।’ নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন, আচরণবিধি লঙ্ঘন যে শুধু প্রার্থীদের তা নয়, এটি যেকোনও

সরকারি কর্মকর্তারও গতে পারে। সেক্ষেত্রে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ তিনি বলেন, ‘গতকাল নির্বাচন যাতে সুষ্ঠু হয় সেজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন সংস্থা নিয়ে মিটিং করা হয়েছে। এবং

নির্বাচন কমিশন পক্ষ থেকে বলা হয়েছে নির্বাচন চলাকালীন সময় কাউকে যেন কোনও ধরনের হয়রানি না করা হয়।’ উৎস- বাংলা ট্রিবিউন আরও পড়ুন- হিলিতে এক সপ্তাহে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে কেজিতে ১০ টাকা

এক সপ্তাহের ব্যবধানে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে কেজি প্রতি ১০ টাকা। এক সপ্তাহ আগেও প্রতি কেজি পেঁয়াজ প্রকারভেদে ১০ থেকে থেকে ১২টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে

এখন তা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২২ টাকা কেজি দরে। হিলি স্থলবন্দর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বন্দর দিয়ে ঈদের আগে গড়ে প্রতিদিন ৫০ থেকে ৫৫ ট্রাক পেঁয়াজ আমদানি হতো। বর্তমানে বন্দর

দিয়ে গড়ে প্রতিদিন ৩০ থেকে ৩৫ ট্রাক পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে। ঈদের ছুটি শেষে মঙ্গলবার বন্দর চালুর দিনে বন্দর দিয়ে ৩২টি ট্রাকে ৬৪০টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে এবং বুধবার বন্দর দিয়ে ৪০টি ট্রাকে

৮শ’ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। সরেজমিন হিলি স্থলবন্দর ঘুরে দেখা গেছে ভারত থেকে বন্দর দিয়ে নাসিক ইন্দোর ও রাজস্থান জাতের পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে। আমদানিকৃত এসব জাতের পেঁয়াজ

পাইকারিতে প্রকারভেদে ২০ টাকা থেকে ২২ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ঈদের আগে এসব পেঁয়াজ প্রকারভেদে ১০ টাকা থেকে ১২ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছিল। আর বাংলাহিলি বাজার ঘুরে দেখা গেছে,

আমদানিকৃত ভারতীয় পেঁয়াজ খুচরাতে প্রকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা থেকে ২২টাকা কেজি দরে। ঈদের আগে আমদানিকৃত এসব পেঁয়াজ প্রকারভেদে ১০ টাকা থেকে ১৫টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছিল।

হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক মামুনুর রশীদ লেবু ও পেঁয়াজ ব্যবসায়ী রবিউল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, ঈদুল ফিতুর উপলক্ষে হিলি স্থলবন্দরসহ দেশের সবগুলো স্থলবন্দর দিয়ে ৪ থেকে ৬

দিন ধরে পণ্য আমদানি-রফতানি বাণিজ্য কার্যক্রম বন্ধ ছিল। এ কারণে দেশের বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ কম রয়েছে। এছাড়াও স্থলবন্দর বন্ধ থাকায় ভারতের মোকামগুলোতে পেঁয়াজের উৎপাদন বন্ধ ছিল। এ

কারণে ভারতের বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ কম হওয়ায় ও ভারতের বিভিন্ন প্রদেশে পেঁয়াজের চাহিদা তৈরি হওয়ায় সেদেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৪ থেকে ৫ রুপি করে বেড়ে গেছে। এ কারণে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম হওয়ায় দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম বাড়ছে।

আ.লীগের পক্ষে ১৪ দল, বিএনপির প্রচারণায় ৫৭ টিম

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির প্রার্থীদের পক্ষে জোর প্রচারণায় নেমেছেন দল দুটির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এবং তাদের জোটভুক্ত দলসমূহের নেতাকর্মীরা। প্রতিদিন নগরীর বিভিন্ন

ওয়ার্ডে কেন্দ্রীয় নেতারা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন এবং নিজ নিজ দলীয় প্রার্থীদের পক্ষে গণসংযোগ করছেন। আওয়ামী লীগের প্রার্থী মো.জাহাঙ্গীর আলমের পক্ষে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারাসহ ১৪

দলের নেতৃবৃন্দ গাজীপুরের ৫৭টি ওয়ার্ডে গণসংযোগ করছেন। ইতোমধ্যে যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারম্যান ও সাধারণ সম্পাদক এবং বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠেনের কেন্দ্রীয় নেতারা গাজীপুরের

বিভিন্ন ওয়ার্ডে চষে বেড়াচ্ছেন। তারা গুরুত্বপূর্ণ স্থান সমূহে নৌকার পক্ষে লিফলেট বিতরণ করছেন। বাড়ি বাড়ি গিয়ে জাহাঙ্গীর আলমের জন্য ভোট প্রার্থনা করছেন। বৃহস্পতিবার সকালে গাজীপুরে চান্দনা

উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজের হল রুমে ১৪ দলীয় জোটের নেতৃবৃন্দ স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। পরে তারা নৌকার পক্ষে চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় বিভিন্ন মার্কেটে গণসংযোগ করেন।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়া, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. রেজাউর রশীদ খান, গণতান্ত্রিক পার্টির

সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসাইন, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো.আফজাল হোসেন, গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট আজমত উল্লাহ খান,

সহসভাপতি আফজাল হোসেন সরকার রিপন, আওয়ামী লীগ নেতা শফিকুল ইসলাম বাবুল, এসএম মোকসেদ আলম প্রমুখ। অপরদিকে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে ২০ দলীয় জোট

মনোনীত মেয়র প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা হাসান উদ্দিন সরকারের পক্ষে নগরীর ৫৭টি ওয়ার্ডে বিএনপির কেন্দ্রীয় ৫৭টি টিম প্রচারণায় নেমেছে। ইতোমধ্যে এসব টিম তাদের নির্ধারিত ওয়ার্ডে প্রচারণা শুরু করেছে। এ

ছাড়া জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী ঐক্যজোট, জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর), লেবার পার্টি, জাগপাসহ ২০ দলীয় জোটভুক্ত অন্যান্য দলের আলাদা টিম নির্বাচনী প্রচারণায় নেমেছে। এমনকি জাতীয় পার্টির

(এরশাদ) অধিকাংশ নেতাকর্মী কেউ প্রকাশ্যে আবার কেউ গোপনে হাসান উদ্দিন সরকারের পক্ষে কাজ করছেন বলে জানিয়েছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের প্রধান ডা. মাহজারুল আলম। ডা. মাহজারুল

আলম জানান, মিথ্যা ও প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস না করায় দল মত নির্বিশেষে তার প্রতি সব মহলের সমর্থন রয়েছে। বিশেষ করে তার গণসংযোগ ও

পথসভাগুলোতে এলাকার প্রবীণ ও মুরব্বী শ্রেণির মানুষের বেশি উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। হাসান সরকারের পক্ষে সব মহলের প্রচারণায় নির্বাচনী মাঠ জমে উঠেছে। উৎস- জাগো নিউজ

আমাদের কর্মীরা এখন ঢাকার হকার কেউবা রিকশাচালক: ফখরুল

বিএনপি নেতাকর্মীদের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরতে গিয়ে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ১৯৭৫ সালের ১৬ জুনের পর সাংবাদিক ভাইয়েরা যেমন ফল বিক্রি করেছেন, আজ

তেমনি আমাদের রাজনৈতিক কর্মীরা ঢাকায় রিকশা চালাচ্ছেন তারা কেউ হকার হয়েছেন, বাড়ির নাইট গার্ডের কাজ করছেন। বৃহস্পতিবার (২১ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবে বিএফইউজে ও ডিইউজে আয়োজিত

‘সংবাদ পত্রের কালো দিবস’ বিষয়ক আলোচনা সভা প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন।মহাসচিব মির্জা ফখরুল আলমগীর বলেন, দেশে আওয়ামী লীগ চালাচ্ছে নাকি অন্য কোন শক্তি

চালাচ্ছে তা নিয়ে সন্দেহ আছে। আওয়ামী লীগ চালালে এমন হতো না, তারা তাদের অতীত রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ন্যূনতম ব্যবহার করছে না। তারা অতীত থেকে শিক্ষাও নিচ্ছে না। জুডিশিয়াল যে আবস্থা

সেখানে যেতেও ভয় হয় দাবি করে মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপির ১৮ লাখেরও বেশি নেতাকর্মী কারাগারে আছে। নেতাকর্মীরা বাড়িতে থাকতে পারছেনা। তাদের কেউ ঢাকার এসে নাইটগার্ডের কাজ করছে

আবার কেউ বায়তুল মোকাররমে কাগজ বিক্রি করে জীবনযাপন করছে। ঢাকায়ও একই অবস্থা এক এলাকার লোক অন্য এলাকায় থাকতে হচ্ছে। না হলে ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, গুম, খুন করা হচ্ছে,

আমাদের ছেলেরা কোথাও নিরাপদ নয়। ইলিয়াস আলী, জাকির, সুমনে সন্তানরা এখনও তাদের আসায় দিন গুনছে। অথচ তারা জানেই না যে তাদের বাবা ফিরে আর কোন দিন আসবে না। বিএনপির এ নেতা

বলেন, আমরা মাঝে মাঝে হতাশ হয়ে যাই। হতাশা শেষ কথা হতে পারে না। লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। এটা আমাদেরকে করতে হবে। কেউ আমাদের করে দিবে না বা এনে দিবে না। বিএফইউজে’র সভাপতি

রুহুল আমিন গাজী সভাপতিত্বে বক্তব্য করেন আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, বিএফইউজের সাবেক সভাপতি ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ, বিএফইউজের মহাসচিব এম আবদুল্লাহ,

ডিইউজের সভাপতি কাদের গনি চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম, প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমেদ প্রমুখ। উৎস- পুর্ব পশ্চিম বিডি

আরও পড়ুন- দক্ষিণ এশিয়ার আধুনিক রাজনৈতিক দলের অফিস আওয়ামী লীগ কার্যালয় প্রতিষ্ঠার পর প্রথমবারের মতো নিজস্ব ভবন পেতে যাচ্ছে স্বাধীনতা-সংগ্রামে নেতৃত্বদানকারী দল

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। দৃষ্টিনন্দন ও আধুনিক সব সুযোগসুবিধা সম্পন্ন বঙ্গবন্ধু এভিনিউর নতুন দশতলা ভবন হবে দক্ষিণ এশিয়ার আধুনিক রাজনৈতিক দলের অফিস ও আওয়ামী লীগের স্থায়ী ঠিকানা।

আগামী ৬৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিন; ২৩ জুন, শনিবার আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নতুন ভবনের উদ্বোধন করবেন। নেতারা জানিয়েছেন, নতুন ভবন উদ্বোধনের পর আওয়ামী লীগের

সব সাংগঠনিক কার্যক্রম চলবে ২৩, বঙ্গবন্ধু এভিনিউর এ কার্যালয় থেকে। আর ধানমন্ডির আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয় থেকে দলের নির্বাচনী কার্যক্রম ও সিআরআইসহ দলের অন্যান্য সংস্থার

গবেষণামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হবে। বুধবার (২০ জুন) দুপুরে সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের নতুন দশতলা ভবনের কাজ শেষ। শনিবার (২৩ জুন) প্রধানমন্ত্রী এ ভবনের

উদ্বোধন করবেন। পুলিশসহ নিরাপত্তারক্ষীদের কড়াকড়ি ভবনজুড়ে। ঢুকেই হাতের বাম পাশে অভ্যর্থনা ডেস্ক। বিশাল ফ্লোর। সিঁড়ির পাশাপাশি দুটি লিফট। বেসমেন্ট ও প্রথমতলায় গাড়ি পার্কিংয়ের কথা বলা

হলেও পরে এ সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে আওয়ামী লীগ। সামনের সড়কে ছেড়ে দেওয়া নিজস্ব জায়গায় পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করা হবে। নিচে রক্ষিত নির্দেশনা অনুযায়ী জানা যায়, চতুর্থ ও পঞ্চমতলায় সাধারণ

অফিস, ডিজিটাল লাইব্রেরি, মিডিয়া রুম। ষষ্ঠতলায় সম্মেলন কক্ষ। সপ্তমতলা দলের কোষাধ্যক্ষের জন্য। অষ্টমতলায় সাধারণ সম্পাদকের অফিস। আর নবমতলায় বসবেন দলের সভাপতি। একদম উপরে

দশমতলায় থাকবে ক্যাফটেরিয়া। কর্তব্যরতদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, নির্দেশনার কিছু ব্যত্যয় ঘটতে পারে। আগের নির্দেশনা অনুযায়ী বেসমেন্ট ও নিচতলায় কার পার্কিং এবং ছাদে হ্যালিপ্যাড স্থাপন

আপাতত হচ্ছে না। দ্বিতীয়তলার কনফারেন্স রুমে ৩৫০ জনের বসার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। তৃতীয়তলায় ২৪০ জনের বসার ব্যবস্থা থাকবে। মাঝখানে কনফারেন্স রুম আর দুই পাশে বেশকিছু কক্ষ রয়েছে।

তিনতলার সামনের অংশটা ‘ওপেন স্কাই টেরাস’। অনেকটা বাসার ড্রয়িংরুম বা পাঁচতারকা হোটেলের আদলে করা হবে এ অংশ। এখানে কৃত্রিম বাগানের ফাঁকে ফাঁকে চেয়ার-টেবিল দিয়ে বসার ব্যবস্থা থাকছে। পাশাপাশি থাকবে চা-কফি খাওয়ার আয়োজন।

রিমান্ডের পর হাসপাতালে টুকু, যা বললেন রিজভী

জাতীয়তাবাদী যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাহউদ্দিন টুকুকে মিথ্যা অভিযোগে সাজানো মামলায় গ্রেফতার করে গতকাল বুধবার পুলিশ শাহবাগ থানায় রিমান্ডে নেয় উল্লেখ করে রিজভী বলেন,

‘আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করেছে পুলিশ। পরিবারের সদস্যদের দাবি, জনাব টুকু গতকাল পর্যন্তও সুস্থ ছিলেন, কিন্তু রিমান্ডে নেয়ার পর তাকে শারীরিক নির্যাতন করার ফলে

গুরুতর অসুস্থ হয়ে পরায় তাকে পুলিশ হাসপাতালে ভর্তি করেছে। এ ব্যাপারে তারা উদ্বিগ্ন ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।’ বৃহস্পতিবার (২১ জুন) বিকেলে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ

সম্মেলনে রিজভী এসব অভিযোগ করেন। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে সারা দেশব্যাপী পূর্বঘোষিত বিক্ষোভ সমাবেশ পালন করা হয়েছে বলেও জানান রিজভী।

বিএনপি মহাসচিব জানান, কর্মসূচি পালনকালে ফরিদপুর জেলা বিএনপির সদস্য সিদ্ধির আহমেদ খানকে আজ পুলিশ গ্রেফতার করেছে। এছাড়া বান্দরবান পৌর যুবদলের সভাপতি সেলিম রেজা, যুগ্ম-সম্পাদক

কাশেম, শাহাদৎ, উক্যা মার্মা, বাপ্পি চাকমা, কলেজ ছাত্রদল নেতা ইউছুফকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে এবং বেশ কয়েকজনকে লাঠিপেটা করে আহত করেছে। ঢাকা উত্তর মহানগর বাড্ডা থানা বিএনপি
নেতা

জাহিদসহ ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। উৎস- ব্রেকিংনিউজ আরও পড়ুন- শিশুদের বিচ্ছিন্নকরণ নীতি থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প মেক্সিকো সীমান্তে অবৈধ অভিবাসী বিষয়ে ‘জিরো

টলারেন্স’ নীতি নিয়ে চরম সমালোচনা ও চাপের মুখে পিছু হটেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি এ বিষয়ে নতুন একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন। আদেশ অনুসারে, এখন থেকে

অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশকারীদের, তাদের পরিবার থেকে আলাদা করা হবে না। ১৯৯৭-র মার্কিন এক আইন অনুযায়ী, অবৈধ অভিবাসনের অভিযোগে (বাবা-মায়ের সঙ্গে থাকলেও) শিশুদের ২০ দিনের

বেশি আটকে রাখা যাবে না। ট্রাম্পের জিরো টলারেন্স নীতি সেই আইনও মানেনি। এ বার নতুন নির্দেশ জারি করলেও জিরো টলারেন্স নীতি নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।এই ‘অমানবিক’ নীতির বিরুদ্ধে ফার্স্ট

লেডি মেলানিয়ার মতোই মুখ খুলেছেন ট্রাম্পের কন্যা ইভাঙ্কাও। এই সঙ্কটে দ্রুত ইতি টানতে বলেছেন তিনি, মার্কিন সংবাদমাধ্যমে তেমনই দাবি। সরব ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে এবং পোপ ফ্রান্সিস। চুপ

বসে নেই তথ্যপ্রযুক্তি দুনিয়াও। সিইও সত্য নডেলার সঙ্গে মাইক্রোসফ্‌টের একশো কর্মী মার্কিন সীমান্ত নজরদারি সংস্থার (বর্ডার পেট্রল) সঙ্গে কাজ করবেন না বলে সই করেছেন চিঠিতে। শরণার্থী শিশুকে

বিচ্ছিন্ন করে রাখার নীতি কোনও ভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়— এ কথা লিখে মাইক্রোসফ্ট-এর কর্মীরা জানান, অনৈতিক কাজে তারা থাকতে চান না। এই নীতির বিরুদ্ধে সরব গুগলের সিইও এবং আর এক

ভারতীয় বংশোদ্ভূত সুন্দর পিচাইও। তিনি টুইট করেছেন, ‘সীমান্তে পরিবারগুলোর বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার ছবি এবং খবর দেখে বিপর্যস্ত লাগছে। সরকারকে অনুরোধ, আরও মানবিক ও উন্নততর সমাধান খুঁজে বার করা হোক।’ সূত্র: আল জাজিরা

প্রধানমন্ত্রীর মায়ের নামে মাদরাসা খুলে প্রতারণা

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার বিলুপ্ত ছিটমহল দাসিয়ারছড়ায় ‘শেখ ফজিলাতুন্নেছা দাখিল মাদরাসা’ ব্যানারে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে সুপারের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। বুধবার

কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসকের আদেশে জেলা শিক্ষা অফিসার মো. আব্দুল কাদের কাজী প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করেন। এ সময় মাদরাসার শিক্ষক, কর্মচারী, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য

ও স্থানীয় লোকজন উপস্থিত ছিলেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালে দাসিয়ারছড়া বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে সংযুক্ত হওয়ার পরপরই কৌশলে দাসিয়ারছড়ার অধিবাসী আমিনুল ইসলাম প্রধানমন্ত্রী

শেখ হাসিনার মায়ের নামে ওই মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেন। এর মাধ্যমে তিনি লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎও করেন। এমনকি মাদরাসার নামের জমি গোপনে নিজের নামে রেকর্ড করে নেন ওই সুপার। পরে এ দাখিল

মাদরাসায় সুপার পদে চাকরি নেন উপজেলার মধ্য কাশিপুর দাখিল মাদরাসার এমপিওভুক্ত সহকারী মৌলভী শিক্ষক আমিনুল ইসলাম। নব্য প্রতিষ্ঠিত এ মাদরাসায় চাকরি দেয়ার নাম করে ১২ জন শিক্ষক ও

কর্মচারীর কাছ থেকে ৩৪ লাখ ৩৮ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন আমিনুল ইসলাম। সুপার নিয়োগ ও মাদরাসার অনুমোদন সম্পর্কিত বিষয় নিয়ে তৎকালীন সভাপতি আলতাফ হোসেনের স্বাক্ষর জাল করে

মহাপরিচালকের প্রতিনিধি ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া ভুয়া নিয়োগপত্র দেয়ার অভিযোগও পাওয়া যায় তার বিরুদ্ধে। বিষয়টি তৎকালীন সভাপতি ছিটমহল আন্দোলনের নেতা আলতাফ

হোসেন জানতে পেয়ে সুপারের বিভিন্ন অনিয়মের বিষয়টি প্রশাসনের বিভিন্ন দফতরে অভিযোগ করেন। এছাড়াও মাদরাসার একাডেমিক স্বীকৃতি ও প্রাথমিক অনুমোদনের কোনো অগ্রগতি না দেখে শিক্ষক

কর্মচারীরা তাদের প্রদত্ত টাকা ফেরত চাইলে সুপার আমিনুল ইসলাম টালবাহনা করেন এবং শিক্ষক ও কর্মচারীদেরকে ভয়ভীতি প্রর্দশন করেন। এক পর্যায়ে তিনি আত্মগোপন থাকতে শুরু করেন। মাদরাসার

সহ-সুপার শাহানুর আলম জানান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার প্রধান শর্ত হলো প্রতিষ্ঠানের নামে জমি থাকতে হবে। কিন্তু সেই জমি সুপার তার নিজ নামে রেকর্ড করেছেন বলে আমরা জানতে পেরেছি। এছাড়াও

তিনি ভুয়া কাগজপগ্র দেখিয়ে শিক্ষক ও কর্মচারীর টাকা লুটপাট করেছেন।এ বিষয়ে সুপার আমিনুল ইসলাম অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে জানান, প্রতিষ্ঠান করার স্বার্থে তাদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া

হয়েছে। প্রতিষ্ঠান করতে না পারলে টাকা ফেরত দিব। এ ব্যাপারে জেলা শিক্ষা অফিসার আবদুল কাদের কাজী জানান,জেলা প্রশাসকের আদেশেই আমি তদন্ত করতে এসেছি। তদন্তে প্রাথমিকভাবে

অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। আগামী ১০ কর্মদিবসের মধ্যে সুপার ৩টি শর্ত মেনে নিয়ে মুচলেকা পত্র দিয়েছেন। সেই অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। উৎস- জাগো নিউজ