বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারি মামলার সব তদন্ত কর্মকর্তাকে তলব হাইকোর্টের

আলোচিত বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারি মামলার সব তদন্ত কর্মকর্তাকে তলব করেছেন উচ্চ আদালত। আইনে নির্ধারিত ১৮০ দিনের মধ্যে মামলাগুলোর তদন্ত শেষ না হওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন আদালত। একই সঙ্গে আগামী বুধবার বেসিক ব্যাংকে ঋণ কেলেঙ্কারির ৫৬ মামলার সব তদন্ত কর্মকর্তাকে আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

বেসিক কেলেঙ্কারির মামলায় ব্যাংকের সাবেক ডিএমডি ফজলুস সোবহানসহ বেশ কয়েকজনের জামিন আবেদনের শুনানিকালে আদালত এ আদেশ দেন। ধার্য তারিখে তদন্ত কর্মকর্তাদের মামলার নথিপত্র, সিডিসহ আদালতে হাজির হতে বলা হয়েছে।

আদালতে দুদকের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী খুরশিদ আলম খান, সৈয়দ মামুন মাহবুব ও ফজলুল হক। জামিন আবেদনকারীদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী রোকনউদ্দিন মাহমুদ ও আবদুল মতিন খসরু প্রমুখ।

বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারিতে ২০১৫ সালের ২১, ২২ ও ২৩ সেপ্টেম্বর রাজধানীর মতিঝিল, পল্টন ও গুলশান থানায় ১২০ জনকে আসামি করে ৫৬টি মামলা করে দুদক। এসব মামলায় বেসিক ব্যাংকের ২৭ কর্মকর্তা, ১১ জরিপকারী ও ৮২ ঋণগ্রহণকারী ব্যক্তিকে আসামি করা হয়। গত বছর আরও ৫টি মামলা করে সংস্থাটি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত বেসিক ব্যাংকের খেলাপি ঋণের হার ৫৩ শতাংশ (৭ হাজার ৩৯০ কোটি টাকা), যা যেকোনো ব্যাংকের খেলাপি ঋণের হারের চেয়ে বেশি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে বেসিক ব্যাংকের মোট বিতরণ করা ঋণের পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৭০০ কোটি টাকা। ২০১৩ সালের মার্চে তা দাঁড়ায় ৯ হাজার ৩৭৩ কোটি টাকা। ওই চার বছর তিন মাসে ব্যাংকটি ৬ হাজার ৬৭৩ কোটি টাকা ঋণ দেয়, যার প্রায় সাড়ে চার হাজার কোটি টাকাই নিয়ম ভেঙে দেওয়া হয়েছে।

বেসিক ব্যাংকের অর্থ আত্মসাৎ নিয়ে গণমাধ্যমে লেখালেখি শুরু হলে শুরুতে সরকার কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। কিন্তু কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদনে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের ঘটনা চিহ্নিত হলে সরকার ব্যাংক পুনর্গঠনে বাধ্য হয়। প্রথমে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী ফখরুল ইসলামকে অপসারণ করা হয়। ২০১৪ সালের ২৯ মে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিতে অর্থ মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। এরই ধারাবাহিকতায় ৪ জুলাই অর্থমন্ত্রীর বাসায় গিয়ে পদত্যাগপত্র দেন শেখ আবদুল হাই বাচ্চু।

অস্ত্রধারী নিয়াজুল অভিযুক্ত, বাদ শাহ নিজামের নাম

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীর ওপর হামলার ঘটনায় সেই অস্ত্রধারী নিয়াজুল ইসলামকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছে জেলা প্রশাসনের গঠিত তদন্ত কমিটি। তবে তদন্ত প্রতিবেদনে থাকছে না ওই দিনের ঘটনায় অপর অস্ত্রধারী সাংসদ শামীম ওসমানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহ নিজামের নাম।

কাল বৃহস্পতিবার এ তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তদন্ত কমিটির কর্মকর্তারা। এ পর্যন্ত তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য ছয়বার সময় নিয়েছে জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে।

যদিও তদন্ত প্রতিবেদনের বিষয়ে সন্ত্রাস নির্মূল ত্বকী মঞ্চের আহ্বায়ক রফিউর রাব্বি প্রথম আলোকে বলেছেন, ওই দিন শাহ নিজাম ও নিয়াজুলের অস্ত্রসহ ছবি বিভিন্ন গণমাধ্যমেও প্রকাশিত হয়। তাঁরা সবাই শামীম ওসমানের লোক হিসেবে পরিচিত। এই ঘটনার আগের দিন শামীম ওসমানের উসকানিমূলক ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্যও গণমাধ্যমে এসেছে।

প্রসঙ্গত, গত ১৭ জানুয়ারি নারায়ণগঞ্জ নগরীতে ফুটপাতে হকার বসানো নিয়ে মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী ও সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে জেলা প্রশাসন। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) জসিম উদ্দিন হায়দারকে প্রধান করে এই কমিটি গঠন করা হয়। ওই সময় কমিটিকে সাত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়। কিন্তু পাঁচ মাস পার হয়ে গেছে ইতিমধ্যে। তদন্ত কমিটির কর্মকর্তারা প্রথম আলোকে জানান, ওই দিনের ঘটনায় সাংসদ শামীম ওসমানের সংশ্লিষ্টতা থাকলেও কেউ তাঁর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়নি। তাই তাঁরা তদন্ত প্রতিবেদনে তাঁকে অভিযুক্ত করতে পারেননি।

তদন্ত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) জসিম উদ্দিন হায়দার গতকাল মঙ্গলবার প্রথম আলোকে বলেন, ‘তদন্ত কমিটি ওই দিনের ঘটনায় গণমাধ্যমে আসা নিউজ, ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করে পর্যালোচনা, প্রত্যক্ষদর্শী, হকার, নাগরিক সমাজ, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে কথা বলে তদন্ত প্রতিবেদন তৈরি করেছে। এ কারণে তদন্ত প্রতিবেদন তৈরিতে সময় লেগেছে। আশা করি বৃহস্পতিবার প্রতিবেদন জমা দিতে পারব।’ তবে তদন্ত কমিটির নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে নারায়ণগঞ্জ নাগরিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান বলেন, ‘তদন্ত কমিটির কাছে যে বক্তব্য দিয়েছি, সেই বক্তব্যের কোনো তথ্য তারা সংগ্রহ করেনি। ওসমান পরিবারের চাপে প্রকৃত অপরাধীদের বাদ দিয়ে প্রতিবেদন দাখিল করলে আবার তদন্তের দাবি জানাব।’

এদিকে মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা চেষ্টার অভিযোগে সিটি করপোরেশনের আইন কর্মকর্তার দাখিল করা লিখিত এজাহারটি পুলিশ গত চার মাসেও মামলা হিসেবে রুজু করেনি। অন্যদিকে পুলিশের দায়ের করা অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলাটির তদন্তে গত চার মাসেও কোনো অগ্রগতি নেই। ধরা পড়েননি অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী নিয়াজুল ইসলাম ও শাহ নিজাম।

গত ১৬ জানুয়ারি নগরীর চাষাঢ়ায় ফুটপাতে হকার বসানোকে কেন্দ্র করে মেয়র আইভী ও তাঁর সমর্থকদের ওপর হকার ও সাংসদ শামীম ওসমানের সমর্থকদের সশস্ত্র হামলায় মেয়র আইভী, সাংবাদিকসহ অর্ধশতাধিক আহত হয়। এ সময় সাংসদ শামীম ওসমানের ক্যাডার অস্ত্রধারী নিয়াজুল ইসলাম ও শাহ নিজামকে পিস্তল হাতে গুলি করতে দেখা গেছে।

খালেদা জিয়াকে কারাগারে যে কক্ষে রাখা হয়েছে তা বাসযোগ্য নয়: রিজভী

খালেদা জিয়াকে কারাগারে যে কক্ষে রাখা হয়েছে, তা বাসযোগ্য নয়। কক্ষটি নানা অসুখ-বিসুখের আক্রমণের কেন্দ্রস্থলে পরিণত হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

আজ বুধবার দুপুরে ঢাকার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে রিজভী এসব অভিযোগ করেন।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, অসংখ্য পোকামাকড়ে আকীর্ণ কক্ষটিতে বাস করা যেন নরকবাস। পোকামাকড়ের দংশনে খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। ঘাড়ে প্রচণ্ড ব্যথা এবং বাঁ হাতটা অবিরাম ব্যথার কারণে শক্ত হয়ে উঠেছে। দুই পা ক্রমাগত ব্যথা হচ্ছে এবং সেগুলো ভারী ও ফুলে উঠছে।

রিজভী বলেন, মাত্র কিছুদিন আগে চোখে অস্ত্রোপচার হয়েছে খালেদা জিয়ার। বহুপ্রাচীন দেয়ালগুলো থেকে ঝরে পড়া সিমেন্ট ও বালু এখন চোখ দুটোর অবস্থাকে খারাপের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ব্যথায় চোখ দুটো সব সময় লাল হয়ে থাকে। রুমটি ভেজা, স্যাঁতসেঁতে। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের কারণে তাঁর প্রচণ্ড কাশি হয়েছে।

রিজভীর অভিযোগ, বারবার দাবি করা সত্ত্বেও খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসার বন্দোবস্ত করা হয়নি। সরকারের নির্দেশিত চিকিৎসকদেরও পরামর্শ জেল কর্তৃপক্ষ কানে তোলেনি দাবি করে বিএনপির এই নেতা বলেন, কারণ, কর্তৃপক্ষের পেছনে দাঁড়িয়ে আছে সরকারি হুংকার। তাই এখন পর্যন্ত তাঁকে অর্থোপেডিকস বেড দেওয়া হয়নি। বিশেষায়িত হাসপাতালে এমআরআই পরীক্ষা অগ্রাহ্য করেছে কর্তৃপক্ষ।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, সহদপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম, মুনির হোসেন, বেলাল আহমেদ প্রমুখ।

প্রধানমন্ত্রী বললেন, শিগগিরই প্রায় এক লাখ রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে নেওয়া হবে

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় গ্রহণকারী রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দিতে সরকারের সব পদক্ষেপের প্রতি স্থানীয় জনগণ সর্বাত্মক সমর্থন দিচ্ছে। তিনি বলেন, শিগগিরই প্রায় এক লাখ শরণার্থীকে ভাসানচরে স্থানান্তরিত করা হবে।

জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল এবং ইউএনএফপিএর এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর নাতালিয়া ক্যানেম বুধবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁওয়ের কার্যালয়ে তাঁর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী ইউএনএফপিএ কর্মকর্তাকে জানান, তাঁর সরকার বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে আশ্রয় দিয়েছে। কারণ, বাংলাদেশের জনগণেরও এ ধরনের শরণার্থী হওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বলেন, বৈঠকে তাঁরা বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়, বিশেষ করে নারী উন্নয়ন এবং মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় গ্রহণকারী রোহিঙ্গাদের বিষয়ে আলোচনা করেন।

শেখ হাসিনা বলেন, সরকার যদিও তাদের অবস্থানকে স্বস্তিদায়ক করতে প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে, তথাপি রোহিঙ্গারা আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে খুবই অমানবিকভাবে অবস্থান করছে। তিনি বলেন, প্রতিদিন অন্তত ৬০টি শিশুর সেখানে জন্ম হচ্ছে এবং বর্ষার কারণে তাদের অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিগগিরই প্রায় এক লাখ শরণার্থীকে ভাসানচরে স্থানান্তরিত করা হবে, যেখানে তারা বসবাসের জন্য আরেকটু ভালো পরিবেশ পাবে।

নাতালিয়া রোহিঙ্গাদের আশ্রয় প্রদান করায় এবং নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশের অসামান্য সাফল্যের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি এ সময় জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার বাংলাদেশকে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে আশ্বস্ত করেন।

প্রেস সচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ সময় তাঁর সরকারের অগ্রাধিকার তৃণমূল থেকে উন্নয়ন বলেও উল্লেখ করেন।

শেখ হাসিনা বলেন, তাঁর সরকার খাদ্যনিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষাকে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত নিয়ে যেতে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা গওহর রিজভী এবং মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

Hello world!

Welcome to WordPress. This is your first post. Edit or delete it, then start writing!

ফের মেয়র বুলবুল, ছাত্রলীগে উত্তেজনা

রাজশাহী মহানগরীতে ব্যানার টানানো নিয়ে সিটি মেয়র ও মহানগর বিএনপির সভাপতি মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের সঙ্গে ছাত্রলীগের ফের উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। আজ দুপুর ১২টার পর থেকেই উভয়পক্ষ মহানগরীর আরডিএ মার্কেটের সামনে অবস্থান নিলে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ রয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দুপুর ১২টার দিকেই রাজশাহী মহানগর আওয়ামীলীগের উপ-প্রচার সম্পাদক মীর ইশতিয়াক আহমেদ লিমনের নেতৃত্ব মহানগর ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ব্যানার টানানোর স্থান নগরীর সাহেব বাজার আরডি মার্কেটের সামনে অবস্থান নেন। এসময় মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি রকি কুমার ঘোষ, সেক্রেটারি মাহমুদ হাসান রাজিবসহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

দুপুর ১২ টার ২০ মিনিটের দিকে সেখানে উপস্থিত হন মেয়র বুলবুলসহ বিএনপি, যুবদল ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। এরপর মেয়রসহ তার লোকজন আরডিএ মার্কেটের সামনে বসে অবস্থান নেন।

অন্যদিকে আওয়ামীলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তখন উত্তেজিত হয়ে স্লোগান দিতে থাকে। পরে দুপুর একটার দিকে পুলিশের হস্তক্ষেপে উভয়পক্ষ সেখান থেকে সরে যায়।

এর আগে সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। রাত পৌনে ১২ টার দিকে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তার আগেই মেয়র বুলবুলের ব্যানার সরিয়ে সেখানে সাবেক মেয়র ও মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের ব্যানার টানানো হয়।

এ ঘটনার পরে মেয়র বুলবুল ঘোষণা দেন, মঙ্গলবার দুপুর ১২টার মধ্যে আ’লীগের ব্যানার না সরানো হলে তিনি স্বস্ত্রীক ওই স্থানে অবস্থান কর্মমসুচি পালন করবেন। সেই অনুযায়ী দুই পক্ষই আজ আরডিএ মার্কেটের সামনে অবস্থান নেয়।

রাজশাহী মহানগর ছাত্রলীগ সভাপতি রকি কুমার ঘোষ দাবি করেন, নগরীর জিরোপয়েন্ট এলাকার একটি বিলবোর্ডে সোমবারর রাতে হটাৎ করে সিটি মেয়র ও বিএনপি নেতা মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের ব্যানার টানানো হয়। অথচ সেখানে আগে থেকেই সাবেক মেয়র ও মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের একটি ব্যানার ছিল। ওই ব্যানারটি সরিয়ে মেয়র বুলবুলের ব্যানার টানানো হয়।

এ খবর পেয়ে মহানগর ছাত্রলীগ সভাপতি রকি কুমার ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহমেদসহ কয়েকজন নেতাকর্মী ঘটনাস্থলে যান। এসময় মেয়র বুলবুলও সেখানে উপস্থিত হন। একপর্যায়ে উভয়পক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটি শুরু হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে মেয়র বুলবুল পক্ষ এবং ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে মহানগর আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন।

মেয়র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের ব্যানারে মাহে রমজানের শুভেচ্ছা জানানো হয় নগরবাসীকে। আর সেখানে আগে থেকে টানানো সাবেক মেয়র এএইচ এম খায়রুজ্জামান লিটনের ব্যানারে নগরীকে উন্নয়নের মাধ্যমে বদলে দেয়ার স্লোগানসহ নগরবাসীকে ঈদ শুভেচ্ছা জানানো হয়। কিন্তু লিটনের ওই ব্যানারটি ছিঁড়ে ফেলে বুলবুলের ব্যানার টানানো হয় বলে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা অভিযোগ করেছেন। এনিয়েই তারা প্রতিবাদ জানান।

পরে রাত পৌনে ১২ টার দিকে সাবেক মেয়র লিটনের ব্যানার টানানো দেয়া হয় সেখানে। এরপর পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

তবে মেয়র বুলবুল দাবি করেন, জোর করে তার ব্যানার সরিয়ে ফেলেছেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এরপর সেখানে সাবেক মেয়র লিটনের ব্যানার টানানো দেয়া হয়েছে। ওই ব্যানার তিনি সরিয়ে নিজের ব্যানার টানানোর দাবি জানান। সেটি বুধবার দুপুরের মধ্যে না হলে মেয়র বুলবুল আবারো সেখানে অবস্থান কর্মসুচি পালনের ঘোষণাও দেন।

ফের মেয়র বুলবুল, ছাত্রলীগে উত্তেজনা

রাজশাহী মহানগরীতে ব্যানার টানানো নিয়ে সিটি মেয়র ও মহানগর বিএনপির সভাপতি মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের সঙ্গে ছাত্রলীগের ফের উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। আজ দুপুর ১২টার পর থেকেই উভয়পক্ষ মহানগরীর আরডিএ মার্কেটের সামনে অবস্থান নিলে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ রয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দুপুর ১২টার দিকেই রাজশাহী মহানগর আওয়ামীলীগের উপ-প্রচার সম্পাদক মীর ইশতিয়াক আহমেদ লিমনের নেতৃত্ব মহানগর ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ব্যানার টানানোর স্থান নগরীর সাহেব বাজার আরডি মার্কেটের সামনে অবস্থান নেন। এসময় মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি রকি কুমার ঘোষ, সেক্রেটারি মাহমুদ হাসান রাজিবসহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

দুপুর ১২ টার ২০ মিনিটের দিকে সেখানে উপস্থিত হন মেয়র বুলবুলসহ বিএনপি, যুবদল ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। এরপর মেয়রসহ তার লোকজন আরডিএ মার্কেটের সামনে বসে অবস্থান নেন।

অন্যদিকে আওয়ামীলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তখন উত্তেজিত হয়ে স্লোগান দিতে থাকে। পরে দুপুর একটার দিকে পুলিশের হস্তক্ষেপে উভয়পক্ষ সেখান থেকে সরে যায়।

এর আগে সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। রাত পৌনে ১২ টার দিকে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তার আগেই মেয়র বুলবুলের ব্যানার সরিয়ে সেখানে সাবেক মেয়র ও মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের ব্যানার টানানো হয়।

এ ঘটনার পরে মেয়র বুলবুল ঘোষণা দেন, মঙ্গলবার দুপুর ১২টার মধ্যে আ’লীগের ব্যানার না সরানো হলে তিনি স্বস্ত্রীক ওই স্থানে অবস্থান কর্মমসুচি পালন করবেন। সেই অনুযায়ী দুই পক্ষই আজ আরডিএ মার্কেটের সামনে অবস্থান নেয়।

রাজশাহী মহানগর ছাত্রলীগ সভাপতি রকি কুমার ঘোষ দাবি করেন, নগরীর জিরোপয়েন্ট এলাকার একটি বিলবোর্ডে সোমবারর রাতে হটাৎ করে সিটি মেয়র ও বিএনপি নেতা মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের ব্যানার টানানো হয়। অথচ সেখানে আগে থেকেই সাবেক মেয়র ও মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের একটি ব্যানার ছিল। ওই ব্যানারটি সরিয়ে মেয়র বুলবুলের ব্যানার টানানো হয়।

এ খবর পেয়ে মহানগর ছাত্রলীগ সভাপতি রকি কুমার ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহমেদসহ কয়েকজন নেতাকর্মী ঘটনাস্থলে যান। এসময় মেয়র বুলবুলও সেখানে উপস্থিত হন। একপর্যায়ে উভয়পক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটি শুরু হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে মেয়র বুলবুল পক্ষ এবং ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে মহানগর আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন।

মেয়র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের ব্যানারে মাহে রমজানের শুভেচ্ছা জানানো হয় নগরবাসীকে। আর সেখানে আগে থেকে টানানো সাবেক মেয়র এএইচ এম খায়রুজ্জামান লিটনের ব্যানারে নগরীকে উন্নয়নের মাধ্যমে বদলে দেয়ার স্লোগানসহ নগরবাসীকে ঈদ শুভেচ্ছা জানানো হয়। কিন্তু লিটনের ওই ব্যানারটি ছিঁড়ে ফেলে বুলবুলের ব্যানার টানানো হয় বলে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা অভিযোগ করেছেন। এনিয়েই তারা প্রতিবাদ জানান।

পরে রাত পৌনে ১২ টার দিকে সাবেক মেয়র লিটনের ব্যানার টানানো দেয়া হয় সেখানে। এরপর পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

তবে মেয়র বুলবুল দাবি করেন, জোর করে তার ব্যানার সরিয়ে ফেলেছেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এরপর সেখানে সাবেক মেয়র লিটনের ব্যানার টানানো দেয়া হয়েছে। ওই ব্যানার তিনি সরিয়ে নিজের ব্যানার টানানোর দাবি জানান। সেটি বুধবার দুপুরের মধ্যে না হলে মেয়র বুলবুল আবারো সেখানে অবস্থান কর্মসুচি পালনের ঘোষণাও দেন।

ফের মেয়র বুলবুল, ছাত্রলীগে উত্তেজনা

রাজশাহী মহানগরীতে ব্যানার টানানো নিয়ে সিটি মেয়র ও মহানগর বিএনপির সভাপতি মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের সঙ্গে ছাত্রলীগের ফের উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। আজ দুপুর ১২টার পর থেকেই উভয়পক্ষ মহানগরীর আরডিএ মার্কেটের সামনে অবস্থান নিলে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ রয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দুপুর ১২টার দিকেই রাজশাহী মহানগর আওয়ামীলীগের উপ-প্রচার সম্পাদক মীর ইশতিয়াক আহমেদ লিমনের নেতৃত্ব মহানগর ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ব্যানার টানানোর স্থান নগরীর সাহেব বাজার আরডি মার্কেটের সামনে অবস্থান নেন। এসময় মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি রকি কুমার ঘোষ, সেক্রেটারি মাহমুদ হাসান রাজিবসহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

দুপুর ১২ টার ২০ মিনিটের দিকে সেখানে উপস্থিত হন মেয়র বুলবুলসহ বিএনপি, যুবদল ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। এরপর মেয়রসহ তার লোকজন আরডিএ মার্কেটের সামনে বসে অবস্থান নেন।

অন্যদিকে আওয়ামীলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তখন উত্তেজিত হয়ে স্লোগান দিতে থাকে। পরে দুপুর একটার দিকে পুলিশের হস্তক্ষেপে উভয়পক্ষ সেখান থেকে সরে যায়।

এর আগে সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। রাত পৌনে ১২ টার দিকে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তার আগেই মেয়র বুলবুলের ব্যানার সরিয়ে সেখানে সাবেক মেয়র ও মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের ব্যানার টানানো হয়।

এ ঘটনার পরে মেয়র বুলবুল ঘোষণা দেন, মঙ্গলবার দুপুর ১২টার মধ্যে আ’লীগের ব্যানার না সরানো হলে তিনি স্বস্ত্রীক ওই স্থানে অবস্থান কর্মমসুচি পালন করবেন। সেই অনুযায়ী দুই পক্ষই আজ আরডিএ মার্কেটের সামনে অবস্থান নেয়।

রাজশাহী মহানগর ছাত্রলীগ সভাপতি রকি কুমার ঘোষ দাবি করেন, নগরীর জিরোপয়েন্ট এলাকার একটি বিলবোর্ডে সোমবারর রাতে হটাৎ করে সিটি মেয়র ও বিএনপি নেতা মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের ব্যানার টানানো হয়। অথচ সেখানে আগে থেকেই সাবেক মেয়র ও মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের একটি ব্যানার ছিল। ওই ব্যানারটি সরিয়ে মেয়র বুলবুলের ব্যানার টানানো হয়।

এ খবর পেয়ে মহানগর ছাত্রলীগ সভাপতি রকি কুমার ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহমেদসহ কয়েকজন নেতাকর্মী ঘটনাস্থলে যান। এসময় মেয়র বুলবুলও সেখানে উপস্থিত হন। একপর্যায়ে উভয়পক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটি শুরু হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে মেয়র বুলবুল পক্ষ এবং ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে মহানগর আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন।

মেয়র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের ব্যানারে মাহে রমজানের শুভেচ্ছা জানানো হয় নগরবাসীকে। আর সেখানে আগে থেকে টানানো সাবেক মেয়র এএইচ এম খায়রুজ্জামান লিটনের ব্যানারে নগরীকে উন্নয়নের মাধ্যমে বদলে দেয়ার স্লোগানসহ নগরবাসীকে ঈদ শুভেচ্ছা জানানো হয়। কিন্তু লিটনের ওই ব্যানারটি ছিঁড়ে ফেলে বুলবুলের ব্যানার টানানো হয় বলে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা অভিযোগ করেছেন। এনিয়েই তারা প্রতিবাদ জানান।

পরে রাত পৌনে ১২ টার দিকে সাবেক মেয়র লিটনের ব্যানার টানানো দেয়া হয় সেখানে। এরপর পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

তবে মেয়র বুলবুল দাবি করেন, জোর করে তার ব্যানার সরিয়ে ফেলেছেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এরপর সেখানে সাবেক মেয়র লিটনের ব্যানার টানানো দেয়া হয়েছে। ওই ব্যানার তিনি সরিয়ে নিজের ব্যানার টানানোর দাবি জানান। সেটি বুধবার দুপুরের মধ্যে না হলে মেয়র বুলবুল আবারো সেখানে অবস্থান কর্মসুচি পালনের ঘোষণাও দেন।

ফের মেয়র বুলবুল, ছাত্রলীগে উত্তেজনা

রাজশাহী মহানগরীতে ব্যানার টানানো নিয়ে সিটি মেয়র ও মহানগর বিএনপির সভাপতি মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের সঙ্গে ছাত্রলীগের ফের উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। আজ দুপুর ১২টার পর থেকেই উভয়পক্ষ মহানগরীর আরডিএ মার্কেটের সামনে অবস্থান নিলে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ রয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দুপুর ১২টার দিকেই রাজশাহী মহানগর আওয়ামীলীগের উপ-প্রচার সম্পাদক মীর ইশতিয়াক আহমেদ লিমনের নেতৃত্ব মহানগর ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ব্যানার টানানোর স্থান নগরীর সাহেব বাজার আরডি মার্কেটের সামনে অবস্থান নেন। এসময় মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি রকি কুমার ঘোষ, সেক্রেটারি মাহমুদ হাসান রাজিবসহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

দুপুর ১২ টার ২০ মিনিটের দিকে সেখানে উপস্থিত হন মেয়র বুলবুলসহ বিএনপি, যুবদল ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। এরপর মেয়রসহ তার লোকজন আরডিএ মার্কেটের সামনে বসে অবস্থান নেন।

অন্যদিকে আওয়ামীলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তখন উত্তেজিত হয়ে স্লোগান দিতে থাকে। পরে দুপুর একটার দিকে পুলিশের হস্তক্ষেপে উভয়পক্ষ সেখান থেকে সরে যায়।

এর আগে সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। রাত পৌনে ১২ টার দিকে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তার আগেই মেয়র বুলবুলের ব্যানার সরিয়ে সেখানে সাবেক মেয়র ও মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের ব্যানার টানানো হয়।

এ ঘটনার পরে মেয়র বুলবুল ঘোষণা দেন, মঙ্গলবার দুপুর ১২টার মধ্যে আ’লীগের ব্যানার না সরানো হলে তিনি স্বস্ত্রীক ওই স্থানে অবস্থান কর্মমসুচি পালন করবেন। সেই অনুযায়ী দুই পক্ষই আজ আরডিএ মার্কেটের সামনে অবস্থান নেয়।

রাজশাহী মহানগর ছাত্রলীগ সভাপতি রকি কুমার ঘোষ দাবি করেন, নগরীর জিরোপয়েন্ট এলাকার একটি বিলবোর্ডে সোমবারর রাতে হটাৎ করে সিটি মেয়র ও বিএনপি নেতা মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের ব্যানার টানানো হয়। অথচ সেখানে আগে থেকেই সাবেক মেয়র ও মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের একটি ব্যানার ছিল। ওই ব্যানারটি সরিয়ে মেয়র বুলবুলের ব্যানার টানানো হয়।

এ খবর পেয়ে মহানগর ছাত্রলীগ সভাপতি রকি কুমার ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহমেদসহ কয়েকজন নেতাকর্মী ঘটনাস্থলে যান। এসময় মেয়র বুলবুলও সেখানে উপস্থিত হন। একপর্যায়ে উভয়পক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটি শুরু হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে মেয়র বুলবুল পক্ষ এবং ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে মহানগর আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন।

মেয়র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের ব্যানারে মাহে রমজানের শুভেচ্ছা জানানো হয় নগরবাসীকে। আর সেখানে আগে থেকে টানানো সাবেক মেয়র এএইচ এম খায়রুজ্জামান লিটনের ব্যানারে নগরীকে উন্নয়নের মাধ্যমে বদলে দেয়ার স্লোগানসহ নগরবাসীকে ঈদ শুভেচ্ছা জানানো হয়। কিন্তু লিটনের ওই ব্যানারটি ছিঁড়ে ফেলে বুলবুলের ব্যানার টানানো হয় বলে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা অভিযোগ করেছেন। এনিয়েই তারা প্রতিবাদ জানান।

পরে রাত পৌনে ১২ টার দিকে সাবেক মেয়র লিটনের ব্যানার টানানো দেয়া হয় সেখানে। এরপর পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

তবে মেয়র বুলবুল দাবি করেন, জোর করে তার ব্যানার সরিয়ে ফেলেছেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এরপর সেখানে সাবেক মেয়র লিটনের ব্যানার টানানো দেয়া হয়েছে। ওই ব্যানার তিনি সরিয়ে নিজের ব্যানার টানানোর দাবি জানান। সেটি বুধবার দুপুরের মধ্যে না হলে মেয়র বুলবুল আবারো সেখানে অবস্থান কর্মসুচি পালনের ঘোষণাও দেন।

ফের মেয়র বুলবুল, ছাত্রলীগে উত্তেজনা

রাজশাহী মহানগরীতে ব্যানার টানানো নিয়ে সিটি মেয়র ও মহানগর বিএনপির সভাপতি মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের সঙ্গে ছাত্রলীগের ফের উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। আজ দুপুর ১২টার পর থেকেই উভয়পক্ষ মহানগরীর আরডিএ মার্কেটের সামনে অবস্থান নিলে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ রয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দুপুর ১২টার দিকেই রাজশাহী মহানগর আওয়ামীলীগের উপ-প্রচার সম্পাদক মীর ইশতিয়াক আহমেদ লিমনের নেতৃত্ব মহানগর ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ব্যানার টানানোর স্থান নগরীর সাহেব বাজার আরডি মার্কেটের সামনে অবস্থান নেন। এসময় মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি রকি কুমার ঘোষ, সেক্রেটারি মাহমুদ হাসান রাজিবসহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

দুপুর ১২ টার ২০ মিনিটের দিকে সেখানে উপস্থিত হন মেয়র বুলবুলসহ বিএনপি, যুবদল ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। এরপর মেয়রসহ তার লোকজন আরডিএ মার্কেটের সামনে বসে অবস্থান নেন।

অন্যদিকে আওয়ামীলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তখন উত্তেজিত হয়ে স্লোগান দিতে থাকে। পরে দুপুর একটার দিকে পুলিশের হস্তক্ষেপে উভয়পক্ষ সেখান থেকে সরে যায়।

এর আগে সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। রাত পৌনে ১২ টার দিকে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তার আগেই মেয়র বুলবুলের ব্যানার সরিয়ে সেখানে সাবেক মেয়র ও মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের ব্যানার টানানো হয়।

এ ঘটনার পরে মেয়র বুলবুল ঘোষণা দেন, মঙ্গলবার দুপুর ১২টার মধ্যে আ’লীগের ব্যানার না সরানো হলে তিনি স্বস্ত্রীক ওই স্থানে অবস্থান কর্মমসুচি পালন করবেন। সেই অনুযায়ী দুই পক্ষই আজ আরডিএ মার্কেটের সামনে অবস্থান নেয়।

রাজশাহী মহানগর ছাত্রলীগ সভাপতি রকি কুমার ঘোষ দাবি করেন, নগরীর জিরোপয়েন্ট এলাকার একটি বিলবোর্ডে সোমবারর রাতে হটাৎ করে সিটি মেয়র ও বিএনপি নেতা মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের ব্যানার টানানো হয়। অথচ সেখানে আগে থেকেই সাবেক মেয়র ও মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের একটি ব্যানার ছিল। ওই ব্যানারটি সরিয়ে মেয়র বুলবুলের ব্যানার টানানো হয়।

এ খবর পেয়ে মহানগর ছাত্রলীগ সভাপতি রকি কুমার ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহমেদসহ কয়েকজন নেতাকর্মী ঘটনাস্থলে যান। এসময় মেয়র বুলবুলও সেখানে উপস্থিত হন। একপর্যায়ে উভয়পক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটি শুরু হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে মেয়র বুলবুল পক্ষ এবং ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে মহানগর আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন।

মেয়র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের ব্যানারে মাহে রমজানের শুভেচ্ছা জানানো হয় নগরবাসীকে। আর সেখানে আগে থেকে টানানো সাবেক মেয়র এএইচ এম খায়রুজ্জামান লিটনের ব্যানারে নগরীকে উন্নয়নের মাধ্যমে বদলে দেয়ার স্লোগানসহ নগরবাসীকে ঈদ শুভেচ্ছা জানানো হয়। কিন্তু লিটনের ওই ব্যানারটি ছিঁড়ে ফেলে বুলবুলের ব্যানার টানানো হয় বলে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা অভিযোগ করেছেন। এনিয়েই তারা প্রতিবাদ জানান।

পরে রাত পৌনে ১২ টার দিকে সাবেক মেয়র লিটনের ব্যানার টানানো দেয়া হয় সেখানে। এরপর পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

তবে মেয়র বুলবুল দাবি করেন, জোর করে তার ব্যানার সরিয়ে ফেলেছেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এরপর সেখানে সাবেক মেয়র লিটনের ব্যানার টানানো দেয়া হয়েছে। ওই ব্যানার তিনি সরিয়ে নিজের ব্যানার টানানোর দাবি জানান। সেটি বুধবার দুপুরের মধ্যে না হলে মেয়র বুলবুল আবারো সেখানে অবস্থান কর্মসুচি পালনের ঘোষণাও দেন।